কাস্টমস কম্পিউটার সিস্টেম (ASYCUDA World)-এর মাধ্যমে ব্যবস্থিত আমদানি-রপ্তানি পণ্য চালান
সংশ্লিষ্ট দুই লাখ টাকার বেশি রাজন্ব (শুক্ষ-করাদি, ফি, চার্জ, প্রভৃতি) আগামী ০১ জুলাই, ২০২১ থেকে
এবং পরিমাণ নির্বিশেষে রাজস্ব আগামী ০১ জানুয়ারি, ২০২২ থেকে ইলেকট্রনিক মাধ্যমে (ই-পেমেন্ট)
পরিশোধ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

ই-পেমেন্ট পদ্ধতি

  • আমদানিকারক/মনোনীত সিএন্ডএফ এজেন্ট এ্যাসেসমেন্ট নোটিশের কপি ব্যাংকে সরবরাহ করবেন।
  • সংশিষ্ট ব্যাংক RTGS এর মাধ্যমে Payment সম্পন্ন করবেন।
  • Payment সম্পন্ন হওয়ার পরে আমদানিকারক/সিএভএফ এজেন্ট এর মোবাইলে Confirmation/Error মেসেজ পাওয়া যাবে।
  • Confirmation মেসেজ পাওয়ার পরে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ থেকে Clearness গ্রহণ করবেন।
customs e-payment process bangladesh

ই-পেমেন্টের উদ্দেশ্য

  • কাস্টমস ই-পেমেন্টের উদ্দেশ্য হল প্রথাগত পেমেন্ট পদ্ধতির পরিবর্তে নিরবিচ্ছিন্ন ইলেকট্রনিক পেমেন্ট পদ্ধতির বাস্তবায়ন এবং ব্যবসা সহজীকরণ নিশ্চিত করা।
  • আমদানিকারক, সিএভএফ এজেন্ট প্রতিনিধি বাংলাদেশ ব্যাংকের RTGS পদ্ধতি ব্যবহার করে শুদ্ধ করাদি পরিশোধ করতে পারবে।
  • RTGS সংশ্লিষ্ট যে কোন কমার্শিয়াল ব্যাংকের মাধ্যমে যে কোন পরিমাণ শুল্ক পরিশোধ করা যাবে।
  • বাংলাদেশ ব্যাংক এবং সোনালী ব্যাংক বিল অব ইমপোর্ট সংশ্লিষ্ট শুন্ধ করাদি হেড ভিভিক পরিশোধ নিশ্চিত করবে।

ই-পেমেন্টের সুবিধাসমূহ

  • প্রকৃত সময় বাঁচানো ।
  • দ্রুততা, নিরাপত্তা ও নিশ্চয়তা ।
  • আমদানিকারক, সিএভএফ এজেন্ট উভয়ই পরিশোধ করতে পারবে।
  • SMS এর মাধ্যমে নিশ্চয়তা প্রদান।
  • যেকোন কাস্টম অফিসের কাস্টমসূ বিষয়ক Payment যেকোন কমার্শিয়াল ব্যাংক থেকে প্রয়োজন মাফিক পরিশোধ করা যাবে।
  • সকল কার্যক্রম ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্পাদিত হবে।

.

Show CommentsClose Comments

Leave a comment