Site icon Chartered Journal

সরকারি ছুটির তালিকা ২০২৬

bangladesh government holidays 2026

২০২৬ সালের সরকারি ছুটির তালিকা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ৯ নভেম্বর ২০২৫-এ প্রজ্ঞাপন আকারে প্রকাশ করেছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ২০২৬ সালে মোট সরকারি ছুটি থাকবে ২৮ দিন, যার মধ্যে ৯ দিন সাপ্তাহিক ছুটি (শুক্র ও শনিবার) এর সাথে মিলেছে। ফলে প্রকৃত কার্যদিবসে ছুটি পাওয়া যাবে ১৯ দিন
বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসব ও জাতীয় দিবসের সাথে সাপ্তাহিক ছুটি যোগ হওয়ায় অনেক কর্মজীবী টানা লম্বা ছুটির সুযোগ পাবেন।

মাসভিত্তিক সরকারি ছুটির তালিকা ২০২৬

জানুয়ারি

ফেব্রুয়ারি

মার্চ

এপ্রিল

মে

জুন

জুলাই

আগস্ট

সেপ্টেম্বর

অক্টোবর

নভেম্বর

ডিসেম্বর

২০২৬ সালের সরকারী ছুটির সাথে কিভাবে অবকাশের পরিকল্পনা করবেন?

২০২৬ সালের ছুটির বিন্যাস এমনভাবে করা হয়েছে যে, অনেক ক্ষেত্রে মাত্র ১ বা ২ দিনের ব্যক্তিগত ছুটি বা নৈমিত্তিক ছুটি যোগ করলে দীর্ঘ অবকাশের সুযোগ তৈরি হয়। এটি বিশেষ করে পর্যটন এবং পারিবারিক মিলনের জন্য অত্যন্ত উপযোগী।

টানা ১০ দিনের ছুটির সম্ভাবনা

মে মাসে ঈদুল আজহার ছুটি শুরু হচ্ছে ২৬ মে সোমবার থেকে এবং শেষ হচ্ছে ৩১ মে রবিবার। এর আগে ২২ ও ২৩ মে ছিল শুক্র ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি। যদি কোনো কর্মচারী ২৪ মে ও ২৫ মে রবি ও সোমবার দুইদিনের ছুটি ম্যানেজ করতে পারেন, তবে তিনি ২২ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত টানা ১০ দিনের একটি বিশাল ছুটি উপভোগ করতে পারবেন । একইভাবে মার্চ মাসে শবে কদরের ছুটির পর এক বা দুই দিন ছুটি নিলে ঈদুল ফিতর ও স্বাধীনতা দিবসের ছুটির সাথে মিলিয়ে একটি দীর্ঘ বিরতি পাওয়া সম্ভব ।   

অক্টোবর ও ডিসেম্বরের স্বল্প মেয়াদী দীর্ঘ ছুটি

অক্টোবরে ২০ ও ২১ তারিখের (মঙ্গল ও বুধ) ছুটির পর যদি কেউ ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার ছুটি নিতে পারেন, তবে পরবর্তী শুক্র ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে তিনি টানা ৫ দিন ছুটি পাবেন । বছরের শেষে ১৬ ডিসেম্বর বুধবার বিজয় দিবসের ছুটির পর ১৭ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার ছুটি নিলে ১৮ ও ১৯ ডিসেম্বরের সাপ্তাহিক ছুটিসহ মোট ৪ দিনের একটি অবকাশ নিশ্চিত করা যাবে।

উপসংহার

২০২৬ সালের সরকারি ছুটির তালিকাটি অত্যন্ত পরিকল্পিত এবং এতে নাগরিক সুবিধা ও ধর্মীয় গুরুত্বের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। সাধারণ ছুটি ও নির্বাহী আদেশের সুষম বণ্টন এবং নতুন জাতীয় দিবসের অন্তর্ভুক্তি এই বছরটিকে ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। বিশেষ করে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার সময় নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে ছুটির ব্যাপ্তি বাড়ানো সাধারণ মানুষের বাড়ি ফেরার এবং উৎসব উদযাপনের পথ সুগম করেছে।

চাকরিজীবী ও সাধারণ নাগরিকদের জন্য সুপারিশ হলো, বছরের শুরুতেই এই ক্যালেন্ডার অনুযায়ী তাদের ব্যক্তিগত কাজ ও ভ্রমণের পরিকল্পনা সাজিয়ে নেওয়া। বিশেষ করে যে মাসগুলোতে লম্বা ছুটির সম্ভাবনা আছে, সেখানে অগ্রিম হোটেল বা যাতায়াতের টিকিট বুকিং দেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এই প্রজ্ঞাপনটি একটি শৃঙ্খলাময় প্রশাসনিক বছর নিশ্চিত করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে । যেহেতু চাঁদ দেখার ওপর বেশ কিছু ছুটির তারিখ নির্ভর করে, তাই নির্দিষ্ট সময়ের আগে চূড়ান্ত ঘোষণাটি পুনরায় যাচাই করে নেওয়া বাঞ্ছনীয়।

Exit mobile version