“ভাই, মাসখানেকের মধ্যেই দিয়ে দেব।” এই কথা শুনে আপনি হয়তো কাউকে টাকা ধার দিয়েছেন। এক মাস গেল, তারপর ছয় মাস। শেষে দেখা গেল, ফোন ধরছে না, দেখা হলে এড়িয়ে যাচ্ছে। আর আপনার হাতে প্রমাণ বলতে কিছুই নেই। বাংলাদেশে এমন ঘটনা প্রায় ঘরে ঘরে ঘটে, কারণ আমরা সম্পর্ক আর বিশ্বাসের ওপর ভরসা করে লেনদেন করি, কাগজে কিছু লিখে রাখি না।
সমাধানটা খুব সহজ। একটি স্পষ্ট টাকা লেনদেনের চুক্তিপত্র তৈরি করে রাখলে ঋণদাতা ও ঋণগ্রহীতা দুজনেই সুরক্ষিত থাকেন। এই লেখায় আমরা ধাপে ধাপে দেখব চুক্তিপত্র কীভাবে লিখবেন, কোন বিষয়গুলো বিবেচনা করবেন, একটি কপি-পেস্ট করার মতো টাকা লেনদেনের চুক্তিপত্র নমুনা এবং চুক্তি ভঙ্গ হলে কী করণীয়। শেষ পর্যন্ত পড়লে নিজেই আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে চুক্তিপত্র তৈরি করতে পারবেন।
টাকা লেনদেনের চুক্তিপত্র কী এবং কেন জরুরি
একজন মানুষ আরেকজনের কাছ থেকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য টাকা নিলে সেই লেনদেনের শর্ত যে লিখিত কাগজে থাকে, সেটিই টাকা লেনদেনের চুক্তিপত্র। সহজ কথায় একে ঋণ চুক্তিপত্র বা ধারের চুক্তিপত্রও বলা যায়। এতে লেখা থাকে কে কাকে কত টাকা দিলেন, কবে ফেরত দেবেন, কীভাবে ফেরত দেবেন এবং ব্যর্থ হলে কী হবে।
এই কাগজ কেন দরকার, তা তিনটি কারণে বোঝা যায়।
- প্রমাণ থাকে: টাকা লেনদেন হয়েছে, এটি আদালতে বা সালিশে দেখানো যায়।
- ভুল বোঝাবুঝি কমে: টাকার অঙ্ক ও সময়সীমা নিয়ে কারও মনে সন্দেহ থাকে না।
- সম্পর্ক বাঁচে: টাকা নিয়ে তর্ক হলে কাগজ দেখিয়ে সহজেই মীমাংসা হয়।
এক সিনিয়র অ্যাডভোকেট বলেছেন, কোনো দালিলিক প্রমাণ না থাকলে ঋণগ্রহীতা টাকা ফেরত দিতে অস্বীকার করলে তা প্রমাণ করা কঠিন হয়ে পড়ে। তাই বড় অঙ্কের লেনদেনে লিখিত চুক্তি করাই বুদ্ধিমানের কাজ।
টাকা লেনদেনের চুক্তিপত্র লেখার নিয়ম
একটি কার্যকর টাকা লেনদেনের চুক্তিপত্র ছোট হতে পারে, কিন্তু অসম্পূর্ণ হওয়া চলবে না। একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী চুক্তিতে ধারের পরিমাণ, ফেরতের তারিখ, পরিশোধের পদ্ধতি এবং সময়মতো পরিশোধ না করলে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, এসব উল্লেখ থাকতে পারে। লেখার সময় নিচের তালিকা মিলিয়ে নিন।
- ঋণদাতার পরিচয়: পূর্ণ নাম, পিতার নাম, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, মোবাইল নম্বর, বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা
- ঋণগ্রহীতার পরিচয়: পূর্ণ নাম, পিতার নাম, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, মোবাইল নম্বর, বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা
- টাকার পরিমাণ: অঙ্কে ও কথায় দুইভাবে লেখা
- টাকা দেওয়ার পদ্ধতি: নগদ নাকি ব্যাংক ট্রান্সফার
- পরিশোধের তারিখ বা মেয়াদ: নির্দিষ্ট তারিখ লেখা
- পরিশোধের মাধ্যম: নগদ নাকি ব্যাংক হিসাব, হিসাব নম্বরসহ
- ব্যর্থ হলে করণীয়: ঋণদাতা কী আইনি ব্যবস্থা নিতে পারবেন
- স্বাক্ষর ও তারিখ: দুই পক্ষের এবং কমপক্ষে দুইজন সাক্ষীর
লেখার ভাষা সহজ রাখুন। আইনি জটিল শব্দের চেয়ে স্পষ্ট বাক্য বেশি কাজে লাগে।
টাকা লেনদেনের চুক্তিপত্র নমুনা
নিচে একটি সহজ টাকা লেনদেনের চুক্তিপত্র নমুনা দেওয়া হলো। বন্ধনীর ভেতরের অংশ আপনার তথ্য দিয়ে পূরণ করুন। বড় অঙ্কের লেনদেনের জন্য এটি ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে লিখলে ভালো হয়। স্ট্যাম্পের হালনাগাদ নিয়ম আইনজীবী বা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থেকে জেনে নিন।
টাকা ধার দেওয়া/নেওয়া চুক্তিপত্র
(৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে লিখিত)
১ম পক্ষ (ঋণদাতা):
নাম: [পূর্ণ নাম], পিতার নাম: [পিতার নাম], জাতীয় পরিচয়পত্র নং: [এনআইডি নম্বর], মোবাইল নম্বর: [মোবাইল নম্বর], বর্তমান ঠিকানা: [ঠিকানা], স্থায়ী ঠিকানা: [ঠিকানা]।
২য় পক্ষ (ঋণগ্রহীতা):
নাম: [পূর্ণ নাম], পিতার নাম: [পিতার নাম], জাতীয় পরিচয়পত্র নং: [এনআইডি নম্বর], মোবাইল নম্বর: [মোবাইল নম্বর], বর্তমান ঠিকানা: [ঠিকানা], স্থায়ী ঠিকানা: [ঠিকানা]।
পরম করুণাময় মহান সৃষ্টিকর্তার নাম স্মরণ করে পরম বিশ্বাসের সাথে অত্র চুক্তিপত্রের বয়ান শুরু করিতেছি।
আজ [ / / ] তারিখে আমরা উভয় পক্ষ সম্মতির ভিত্তিতে নিম্নলিখিত শর্তাবলীতে স্বাক্ষর করছি:
১. ঋণের পরিমাণ: ঋণগ্রহীতা ঋণদাতার কাছ থেকে নগদ/ব্যাংক ট্রান্সফারের মাধ্যমে সর্বমোট [টাকার পরিমাণ অংকে]/- ([টাকার পরিমাণ কথায়]) টাকা সাময়িক ঋণ হিসেবে গ্রহণ করলেন।
২. পরিশোধের মেয়াদ: ঋণগ্রহীতা আগামী [পরিশোধের তারিখ] তারিখের মধ্যে এই সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধ করতে বাধ্য থাকবেন।
৩. পরিশোধের মাধ্যম: ঋণের টাকা নগদ/ব্যাংক অ্যাকাউন্ট [ব্যাংক নাম ও হিসাব নম্বর]-এর মাধ্যমে পরিশোধ করা হবে।
৪. অঙ্গীকার: নির্ধারিত সময়ে টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হলে ঋণদাতা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন।
আমরা সজ্ঞানে, স্বেচ্ছায় ও অন্যের প্ররোচনা ছাড়া এই চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করলাম।
ঋণগ্রহীতার স্বাক্ষর: ____________ তারিখ: ____________
ঋণদাতার স্বাক্ষর: ____________ তারিখ: ____________
সাক্ষীগণের স্বাক্ষর:
১. ____________ (নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নম্বরসহ)
২. ____________ (নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নম্বরসহ)
৩. ____________ (নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নম্বরসহ)
এই টাকা লেনদেনের চুক্তিপত্র নমুনা ধার, অগ্রিম বা ব্যক্তিগত ঋণের মতো সাধারণ লেনদেনে ব্যবহার করা যায়। ব্যবসায়িক বা জমিজমা সংক্রান্ত বড় লেনদেনে শর্ত আরও বিস্তারিত হওয়া উচিত।
টাকা লেনদেনের চুক্তিপত্র নমুনার ধারাগুলো সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা
প্রতিটি ধারা কেন আছে, তা বুঝলে টাকা লেনদেনের চুক্তিপত্র নিজের পরিস্থিতি অনুযায়ী বদলে নেওয়া সহজ হয়।
ঋণের পরিমাণ: অঙ্কে ও কথায় দুইভাবে লেখার কারণ হলো পরে কেউ সংখ্যা বদলে ফেলতে না পারে। টাকা কীভাবে দেওয়া হলো, তা-ও লিখে রাখুন।
পরিশোধের মেয়াদ: “সুবিধামতো সময়ে” বা “কিছুদিনের মধ্যে” ধরনের অস্পষ্ট কথা লিখবেন না। নির্দিষ্ট তারিখ বসান। কিস্তিতে ফেরত হলে প্রতিটি কিস্তির পরিমাণ ও তারিখ আলাদা করে লিখুন।
পরিশোধের মাধ্যম: ব্যাংকের মাধ্যমে পরিশোধ করলে লেনদেনের রেকর্ড নিজে থেকেই থেকে যায়। নগদে হলে প্রতিবার রসিদ নিন।
অঙ্গীকার: এই ধারায় স্পষ্ট করা হয় যে ব্যর্থ হলে ঋণদাতা আইনের পথে যেতে পারবেন। এতে ঋণগ্রহীতাও বুঝে নেন যে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া হচ্ছে।
নমুনায় যোগ করার মতো কিছু ঐচ্ছিক শর্ত: পরিস্থিতি অনুযায়ী চাইলে নিচের বিষয়গুলোও যোগ করতে পারেন।
- দুই পক্ষ সম্মত হলে সুদের হার ও হিসাবের নিয়ম লিখে রাখা (এ বিষয়ে প্রচলিত আইন আইনজীবীর কাছ থেকে জেনে নিন)
- কিস্তির তালিকা
- নিরাপত্তা হিসেবে চেক রাখার কথা
- ঋণগ্রহীতার ঠিকানা বদলালে ঋণদাতাকে জানানোর শর্ত
- সময় বাড়ানোর প্রয়োজন হলে লিখিতভাবে সম্মতির নিয়ম
টাকা লেনদেনের চুক্তিপত্র করার আগে যা যা বিবেচনা করবেন
চুক্তিপত্র লেখার আগে ও লেখার সময় কয়েকটি বিষয় ভাবলে ঝুঁকি অনেক কমে।
ঋণদাতার জন্য:
১. ঋণগ্রহীতার আয়ের উৎস ও পরিশোধের সামর্থ্য সম্পর্কে ধারণা নিন।
২. জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি রেখে দিন।
৩. বড় অঙ্ক হলে নগদ না দিয়ে ব্যাংক মাধ্যমে দিন।
৪. টাকা দেওয়ার সময় মানি রিসিটে অঙ্ক, তারিখ ও ঋণগ্রহীতার স্বাক্ষর নিন।
৫. চাইলে নিরাপত্তা হিসেবে চেক রাখুন।
আইনজীবীর পরামর্শ অনুযায়ী জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে চুক্তি করা সবচেয়ে ভালো উপায়, আর তা সম্ভব না হলে অ্যাকাউন্ট পে-ই চেকের মাধ্যমে টাকা দেওয়া বাঞ্ছনীয়। একই সূত্রে বলা হয়েছে, ঋণের সমপরিমাণ অঙ্কের তারিখবিহীন পোস্ট ডেটেড চেক রাখলে তা নিরাপত্তা হিসেবে কাজ করে, এবং চেক প্রত্যাখ্যাত হলে ফৌজদারি মামলার সুযোগ থাকে।
ঋণগ্রহীতার জন্য:
১. যত টাকা নিলেন, তত টাকার রসিদ বা প্রমাণ রাখুন।
২. পরিশোধের প্রতিটি ধাপে ঋণদাতার স্বাক্ষরসহ রসিদ নিন।
৩. সম্পূর্ণ শোধ করার পর লিখিত “দায়মুক্তি” পত্র নিন, অথবা চুক্তিতে “পরিশোধিত” লিখিয়ে নিন।
৪. নিরাপত্তা হিসেবে দেওয়া চেক ফেরত নিন।
৫. সময়মতো শোধ করতে না পারলে আগেভাগেই ঋণদাতাকে জানান এবং লিখিতভাবে সময় বাড়িয়ে নিন।
লক্ষ করুন, ঋণগ্রহীতার জন্যও টাকা লেনদেনের চুক্তিপত্র সমান জরুরি। শোধ করার পরও প্রমাণ না থাকলে একই টাকা নিয়ে দ্বিতীয়বার দাবি উঠতে পারে।
টাকা লেনদেনের চুক্তিপত্র ভঙ্গ হলে করণীয়
সব সতর্কতার পরও কেউ কেউ কথা রাখেন না। এই অবস্থায় ঋণদাতা কী করবেন, তার একটি ধাপে ধাপে ক্রম নিচে দেওয়া হলো।
ধাপ ১: শান্তভাবে যোগাযোগ করুন। অনেক সময় ভুলে যাওয়া বা সাময়িক সমস্যার কারণে দেরি হয়। ফোনে বা মেসেজে টাকার অঙ্ক, তারিখ ও চুক্তির কথা মনে করিয়ে দিন। মেসেজ রাখলে তা পরে প্রমাণ হিসেবে কাজে লাগতে পারে।
ধাপ ২: লিখিত তাগাদা দিন। আলোচনায় কাজ না হলে লিখিতভাবে একটি তারিখ দিয়ে পরিশোধের অনুরোধ করুন। এতে আপনার আন্তরিক চেষ্টার প্রমাণও থাকে।
ধাপ ৩: আইনজীবীর মাধ্যমে নোটিশ পাঠান। সিনিয়র অ্যাডভোকেটের বক্তব্য অনুযায়ী সাধারণত উকিল নোটিশ দেওয়ার মাধ্যমেই টাকা আদায়ের প্রক্রিয়ার সূচনা হয়। অনেক ক্ষেত্রে নোটিশ পেয়েই ঋণগ্রহীতা সমঝোতায় আসেন। thedailystar
ধাপ ৪: চেক থাকলে ব্যাংকে উপস্থাপন করুন। নিরাপত্তা চেক থাকলে ব্যাংকে জমা দিন। পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় চেক ফেরত এলে নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস আইনের আওতায় ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ থাকে। এ ক্ষেত্রে নোটিশ ও মামলার জন্য আইনে নির্দিষ্ট সময়সীমা আছে। তাই চেক ফেরত আসামাত্র দেরি না করে আইনজীবীর কাছে যান।
ধাপ ৫: দেওয়ানি মামলা বা মানি স্যুট করুন। চূড়ান্ত পদক্ষেপ হলো অর্থ আদায়ের মামলা। একই সূত্র জানাচ্ছে, নিম্ন আদালতে কোর্ট ফি জমা দিয়ে মানি স্যুট করতে হয়, এবং কোর্ট ফি নির্ভর করে পাওনা টাকার অঙ্কের ওপর। thedailystar
মনে রাখুন: টাকা ফেরতের মামলা করার একটি আইনি সময়সীমা আছে। সাধারণভাবে তিন বছরের কাছাকাছি সময়সীমা ধরা হয়, তবে আপনার ক্ষেত্রে ঠিক কত, তা আইনজীবীর কাছ থেকে নিশ্চিত হোন। দেরি করলে মামলা করার অধিকারই হারিয়ে যেতে পারে।
টাকা লেনদেনের সময় সাধারণ ভুল
যেসব ভুল সবচেয়ে বেশি দেখা যায়, সেগুলো জেনে রাখুন।
১. শুধু মুখের কথায় লেনদেন করা।
২. টাকা নগদ দিয়ে কোনো রসিদ না নেওয়া।
৩. পরিশোধের তারিখ অস্পষ্ট রাখা।
৪. সাক্ষী ছাড়া চুক্তি করা।
৫. কিস্তিতে ফেরত পেয়েও প্রতিবার লিখিত হিসাব না রাখা।
৬. দেরি করে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া।
এর প্রতিটির সহজ প্রতিকার হলো একটি গোছানো টাকা লেনদেনের চুক্তিপত্র আর লেনদেনের প্রতিটি ধাপে প্রমাণ সংরক্ষণ।
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
ছোট অঙ্কে বাধ্যতামূলক না হলেও প্রমাণের জন্য লিখিত চুক্তি অত্যন্ত জরুরি। বড় অঙ্কের ক্ষেত্রে স্ট্যাম্পে লিখিত চুক্তি করাই সবচেয়ে নিরাপদ।
প্রচলিত নমুনায় ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প ব্যবহার করা হয়। হালনাগাদ নিয়ম সাব-রেজিস্ট্রি অফিস বা আইনজীবীর কাছ থেকে নিশ্চিত হয়ে নিন।
কেউ ধার নিয়ে টাকা না দিলে প্রথমে কী করব?
শেষ কথা
টাকা ধার দেওয়া বা নেওয়া একটি সাধারণ বিষয় মনে হলেও এর পেছনে সম্পর্ক, বিশ্বাস ও আর্থিক নিরাপত্তা জড়িয়ে থাকে। একটি স্পষ্ট ও সাক্ষীসহ টাকা লেনদেনের চুক্তিপত্র এই তিনটিকেই রক্ষা করে। ঋণদাতা পান প্রমাণ, ঋণগ্রহীতা পান স্পষ্টতা।
এই লেখার টাকা লেনদেনের চুক্তিপত্র নমুনা খসড়া হিসেবে ব্যবহার করুন, আপনার লেনদেনের ধরন অনুযায়ী শর্ত যোগ বা বাদ দিন, এবং বড় অঙ্কের ক্ষেত্রে আইনজীবীর পরামর্শ নিন। লেখাটি উপকারী মনে হলে যাঁরা টাকা ধার দেন বা নেন, তাঁদের সঙ্গে শেয়ার করুন। এটি সাধারণ তথ্যের জন্য লেখা, কোনো আইনি পরামর্শ নয়।

