মূসক ৬.৬ ফরম হলো উৎসে মূসক কর্তনের সনদপত্র। কোনো প্রতিষ্ঠান সরবরাহকারীর বিল থেকে ভ্যাট কেটে রাখলে, সেই কর্তনের প্রমাণ হিসেবে এই ফরম ইস্যু করতে হয়। কাজটি সহজ মনে হলেও বাস্তবে অনেকে আটকে যান। কোন ঘরে কী লিখবেন, কখন ইস্যু করবেন, আর কার কাছে জমা দেবেন, এই তিনটি প্রশ্ন প্রায়ই ঝামেলা তৈরি করে।
এই লেখায় আমরা উৎসে মূল্য সংযোজন কর কর্তন ও আদায় বিধিমালা, ২০২৫ অনুসরণ করেছি। ২০২৬ সালের সংশোধনীতে যা বদলেছে, সেটিও রেখেছি। শুরুতে ফরমটি কী তা বুঝে নেবেন। তারপর ঘর ধরে ধরে পূরণের নিয়ম জানবেন। শেষে নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানের জন্য জমার পথ আলাদা করে দেখবেন। পড়া শেষে ফরমটি নিজেই ঠিকঠাক পূরণ করতে পারবেন।
মূসক ৬.৬ ফরম কি?
মূসক ৬.৬ ফরমের পূর্ণ নাম উৎসে কর্তন সনদপত্র। ইংরেজিতে অনেকে একে VDS certificate বলেন। এটি কোনো চালান নয়। আবার মূসক ৬.৩ কর চালানের বিকল্পও নয়।
সরবরাহকারী পণ্য বা সেবা দিলে মূসক ৬.৩ কর চালান ইস্যু করেন। কর্তনকারী প্রতিষ্ঠান বিল পরিশোধের সময় সেই চালানের মূসক থেকে নির্ধারিত অংশ কেটে রাখে। এই কর্তনের প্রমাণই হলো মূসক ৬.৬। সনদ পেলে সরবরাহকারী নিজের দাখিলপত্রে ওই পরিমাণ মূসকের হ্রাসকারী সমন্বয় নিতে পারেন।
মূসক ৬.৬ ফরম কে ইস্যু করবেন?
ফরমটি ইস্যু করবে উৎসে কর্তনকারী সত্তা। বিধিমালা অনুযায়ী এই তালিকায় আছে সরকারি প্রতিষ্ঠান, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ, ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান। এছাড়া আছে লিমিটেড কোম্পানি, মাধ্যমিক বা তদূর্ধ্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং এনজিও বিষয়ক ব্যুরো অনুমোদিত বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। বার্ষিক টার্নওভার ১০ কোটি টাকার বেশি এমন যেকোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানও এর আওতায় পড়ে।
সরবরাহকারী এই ফরম ইস্যু করেন না। তিনি এটি গ্রহণ করেন এবং নিজের হিসাবে সমন্বয় নেন।
মূসক ৬.৬ ফরম পূরণের আগে যা প্রস্তুত রাখবেন
পূরণ শুরুর আগে কয়েকটি কাগজ ও তথ্য হাতের কাছে রাখুন। এতে ভুলের সুযোগ অনেক কমে যায়:
- সরবরাহকারীর মূল মূসক ৬.৩ কর চালান
- অনুমোদিত বিল এবং পেমেন্ট ভাউচার
- উৎসে মূসকের হিসাব, অর্থাৎ কত টাকার ওপর কত শতাংশে কর্তন হয়েছে
- নিবন্ধিত হলে দাখিলপত্রের তথ্য, অনিবন্ধিত হলে ট্রেজারি চালানের তথ্য
- সনদে স্বাক্ষর করার ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নাম
একটি কথা মনে রাখবেন। সরবরাহকারীর বিআইএন, নাম ও চালান নম্বর সবসময় মূল চালান থেকে হুবহু নিন। স্মৃতি বা পুরনো রেকর্ডের ওপর ভরসা করবেন না।
মূসক ৬.৬ ফরম পূরণের নিয়ম ধাপে ধাপে
ফরমের লেআউট সময়ে সময়ে বদলাতে পারে। তাই এনবিআরের সর্বশেষ ফরম ব্যবহার করুন। তবে ঘরগুলো সাধারণত এই ক্রমে পূরণ করতে হয়।
| ধাপ | কী লিখবেন | তথ্য কোথা থেকে নেবেন |
|---|---|---|
| ১ | কর্তনকারী সত্তার নাম, ঠিকানা, নিবন্ধিত হলে বিআইএন | প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন সনদ |
| ২ | সনদ নম্বর ও ইস্যুর তারিখ | প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ধারাবাহিক নম্বর |
| ৩ | সরবরাহকারীর নাম, ঠিকানা ও বিআইএন | মূসক ৬.৩ কর চালান |
| ৪ | কর চালানের নম্বর ও তারিখ | মূসক ৬.৩ কর চালান |
| ৫ | সরবরাহের মূল্য ও চালানে প্রদর্শিত মূসক | মূসক ৬.৩ কর চালান ও অনুমোদিত বিল |
| ৬ | উৎসে কর্তিত মূসকের পরিমাণ | পেমেন্ট ভাউচার ও কর্তনের হিসাব |
| ৭ | জমার তথ্য | দাখিলপত্র বা ট্রেজারি চালান |
| ৮ | ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নাম ও স্বাক্ষর | প্রতিষ্ঠানের অনুমোদিত কর্মকর্তা |
সনদ নম্বর ও তারিখ: প্রতিটি সনদে আলাদা ধারাবাহিক নম্বর দিন। একই নম্বর দুবার ব্যবহার করবেন না।
কর্তিত মূসক: বিলের হিসাব থেকে বাস্তবে যে অঙ্ক কাটা হয়েছে, ঠিক সেটাই লিখুন। চালানের মোট মূসক ধরে নেবেন না। অংশিক পেমেন্ট হলে কোন চালানের কত অংশ পরিশোধ হয়েছে এবং কত কর্তন হয়েছে, তা আলাদা করে রাখুন।
একাধিক সরবরাহকারীর মূসক এক ট্রেজারি চালানে জমা হলে: চালানের উল্টো পৃষ্ঠায় বা আলাদা কাগজে প্রত্যেক সরবরাহকারীর অংশের বিস্তারিত ভাগ দেখাতে হবে। এটি বিধি ৬(৩)-এর নির্দেশনা।
জমার তথ্য: নিবন্ধিত সত্তা দাখিলপত্র ও সমন্বয়ের তথ্য লিখবে। অনিবন্ধিত সত্তা ট্রেজারি চালানের নম্বর ও তারিখ লিখবে।
স্বাক্ষর করার আগে একবার চোখ বুলিয়ে নিন। বিআইএন, চালান নম্বর ও অঙ্ক তিনটিই মিলছে কি না দেখুন।
মূসক ৬.৬ ফরম ইস্যু ও জমার সময়সীমা
কর্তনকারী নিবন্ধিত কি না, তার ওপর সময়সীমা ও পদ্ধতি নির্ভর করে। বিধি ৬ অনুযায়ী পার্থক্যটি এরকম:
| বিষয় | নিবন্ধিত কর্তনকারী | অনিবন্ধিত কর্তনকারী |
|---|---|---|
| মূসক জমার উপায় | দাখিলপত্রে বৃদ্ধিকারী সমন্বয় | সরকারি কোষাগারে ট্রেজারি চালানে জমা |
| মূসক জমার সময় | সংশ্লিষ্ট কর মেয়াদের দাখিলপত্র দাখিলের সময় | বিল পরিশোধের ১৫ দিনের মধ্যে |
| মূসক ৬.৬ ইস্যু | দাখিলপত্র দাখিলের ৩ কার্যদিবসের মধ্যে | কোষাগারে জমার ৩ কার্যদিবসের মধ্যে |
নিবন্ধিত কর্তনকারীর জন্য মূসক ৬.৬ ফরম জমার নিয়ম
নিবন্ধিত সত্তা উৎসে কাটা মূসক আলাদা করে কোষাগারে জমা দেয় না। সে সংশ্লিষ্ট কর মেয়াদের দাখিলপত্রে বৃদ্ধিকারী সমন্বয় করে। অর্থাৎ কাটা অঙ্ক নিজের দাখিলপত্রে প্রদেয় কর হিসেবে যোগ হয়।
দাখিলপত্র দাখিলের পর ৩ কার্যদিবসের মধ্যে ফরম ইস্যু করতে হবে। তিনটি কপির হিসাব এরকম:
- মূল কপি: সংশ্লিষ্ট মূসক সার্কেলে দাখিল করুন।
- একটি অনুলিপি: সরবরাহকারীকে দিন।
- আরেকটি অনুলিপি: ৫ বছর সংরক্ষণ করুন।
সরকারি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা বিল পরিশোধের সময় মূসক কেটে বুক ট্রান্সফার বা অন্য স্বীকৃত পদ্ধতিতে কোষাগারে জমা দেন। এরপর বিল পরিশোধের ৩ কার্যদিবসের মধ্যে মূসক ও সম্পূরক শুল্ক বিধিমালা, ২০১৬-এর বিধি ৩৮(৪) অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হয়।
অনিবন্ধিত কর্তনকারীর জন্য মূসক ৬.৬ ফরম জমার নিয়ম
অনিবন্ধিত সত্তাকে আগে টাকা কোষাগারে জমা দিতে হয়, তারপর সনদ ইস্যু করতে হয়। পুরো প্রক্রিয়া এরকম:
- সরবরাহকারীকে মূল্য পরিশোধের ১৫ দিনের মধ্যে কর্তিত মূসক নির্ধারিত অর্থনৈতিক কোডে জমা দিন।
- জমার প্রমাণ হিসেবে ট্রেজারি চালান সংগ্রহ করুন।
- জমার পর ৩ কার্যদিবসের মধ্যে মূসক ৬.৬ ইস্যু করুন।
- মূল কপি এবং ট্রেজারি চালানের মূল কপি সংশ্লিষ্ট মূসক সার্কেলে দাখিল করুন।
- একটি অনুলিপি সরবরাহকারীকে দিন এবং আরেকটি ৫ বছর সংরক্ষণ করুন।
ই-চালানে জমা: এনবিআরের ই-চালান ওয়েবসাইটে ঢুকে প্রথমে কমিশনারেট ও স্থানীয় মূসক সার্কেল নির্বাচন করুন। এরপর যার পক্ষে টাকা জমা হচ্ছে তার ধরন নির্বাচন করে বিআইএন বা পরিচয় সংক্রান্ত তথ্য দিয়ে যাচাই করুন। তারপর মোবাইল নম্বর ও ইমেইল দিন। এরপর পরিশোধের ধরন অনলাইন নাকি ব্যাংক কাউন্টার, তা ঠিক করুন। শেষে মূসকের অঙ্ক লিখে চালান সংরক্ষণ করুন।
অনলাইনে পরিশোধ করলে চালান নম্বরসহ ই-চালানের কপি ডাউনলোড করে নিন। ব্যাংকে জমা দিলে চালানের দুটি প্রিন্ট কপিসহ টাকা জমা দিন। টাকা জমার পর ব্যাংক চালান নম্বরসহ একটি কপি আপনাকে ফেরত দেবে।
ই-পেমেন্টে জমা: এনবিআরের নির্ধারিত পেমেন্ট ওয়েবসাইটে VAT Payment নির্বাচন করুন। ট্যাক্স টাইপে বেছে নিন VAT on domestic Products and Services। Purpose-এ নির্বাচন করুন VDS। এরপর VDS BIN ও মূসকের পরিমাণ দিয়ে পেমেন্ট সম্পন্ন করুন। পেমেন্টের পর যে ই-স্লিপ পাবেন, সেটিই ট্রেজারি চালান হিসেবে ব্যবহার হবে।
ই-চালানে অর্থনৈতিক কোড সংশ্লিষ্ট সার্কেলের জন্য নির্দিষ্ট। এলটিইউ (মূসক) কমিশনারেটের অধীন হলে কোড আলাদা। জমার আগে বিধি ৬(৪) থেকে কোডটি মিলিয়ে নিন।
সরবরাহকারী মূসক ৬.৬ ফরম পেলে কী করবেন
সরবরাহকারীর কাজ সনদ হাতে পাওয়ার পর শুরু হয়। বিধি ৭ অনুযায়ী ধাপগুলো এরকম:
- পণ্য বা সেবা দেওয়ার সময় মূসক ৬.৩ কর চালান ইস্যু করুন।
- দাখিলপত্র মূসক ৯.১-এর সরবরাহ প্রদান অংশে মূল্য ও মূসকের পরিমাণ পুরোটাই দেখান।
- কর্তনকারীর কাছ থেকে মূসক ৬.৬ পেলে কর্তিত মূসকের সমপরিমাণ হ্রাসকারী সমন্বয় নিন।
- সনদ যে কর মেয়াদে ইস্যু হয়েছে, সেই মেয়াদে অথবা পরবর্তী ৬টি কর মেয়াদের মধ্যে সমন্বয় সম্পন্ন করুন।
৬টি মেয়াদ পার হয়ে গেলে সমন্বয়ের দাবি তামাদি হয়ে যায়। তাই সনদ পাওয়ামাত্র সমন্বয় নিয়ে নেওয়াই ভালো। সনদ দেরিতে এলে কর্তনকারীর হিসাব বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। চালান নম্বর ও পেমেন্টের তারিখ দিয়ে কোন বিলের কত কর্তন হয়েছে, তা নিশ্চিত করুন।
মূসক ৬.৬ ফরম পূরণে সাধারণ ভুল ও এড়ানোর উপায়
বাস্তবে যে ভুলগুলো বেশি ঘটে, সেগুলো আগে থেকে জেনে রাখুন:
- ভুল বিআইএন বা চালান নম্বর: সনদ অন্য ব্যক্তির রেকর্ডে চলে যেতে পারে।
- সময়সীমা মিস করা: ৩ কার্যদিবস বা ১৫ দিন গুনতে ভুল হলে বিধি লঙ্ঘন হয়।
- চালানের মোট মূসক কর্তিত ধরে নেওয়া: বাস্তবে যা কাটা হয়েছে, শুধু সেটাই লিখুন।
- একাধিক সরবরাহকারীর ভাগ না দেখানো: এতে চালানের অঙ্কের সঙ্গে সনদ মেলে না।
- কপি সংরক্ষণ না করা: ৫ বছর কপি রাখা বাধ্যতামূলক।
- দাখিলপত্রে সমন্বয় ভুলে যাওয়া: সরবরাহকারীর দাবি ৬টি মেয়াদের পর আর টেকে না।
২০২৬ সালের সংশোধনীতে জমা ও পূরণে যা বদলেছে
২০২৬ সালের ৭ জুন এসআরও নং ১৪০-আইন/২০২৬/৩৪৫-মূসক জারি হয়। এটি কার্যকর হয়েছে ১ জুলাই, ২০২৬ থেকে। জমা ও পূরণের সঙ্গে সম্পর্কিত পরিবর্তনগুলো হলো:
- স্থান ও স্থাপনা ভাড়ার ক্ষেত্রে ভাড়া গ্রহণকারীকে ই-চালান বা ই-পেমেন্টে ভাড়ার ওপর ১৫% মূসক দিতে হবে। দাখিলপত্রে নির্ধারিত অংশে এর প্রমাণক দেখাতে হবে।
- নিবন্ধিত ব্যক্তি সেবা আমদানি করলে সেই মূসক দাখিলপত্রে “উৎপাদ কর” ও “উপকরণ কর” হিসেবে দেখাতে হবে। ১৫% হারে ট্রেজারি চালানে জমা দিতে হবে।
- বিধি ৫-এর দফা (খ)-তে “IVAS”-এর জায়গায় “eVAT” বসেছে।
এই লেখা ১ নভেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত তথ্যের ভিত্তিতে লেখা। বিধিমালা পরিবর্তনশীল, তাই কাজ শুরুর আগে এনবিআরের মূসক এসআরও পাতা দেখে নিন।
মূসক ৬.৬ ফরম কোথায় পাবেন?
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকে মূসক ৬.৬ ফরম ডাউনলোড করে নিতে পারবেন অথবা সরসারি নিচের Mushak 6.6 Form Excel File লেখা ডাউনলোড বাটনে ক্লিক করে ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
এটি উৎসে মূসক কর্তনের সনদপত্র। কর্তনকারী সত্তা সরবরাহকারীর বিল থেকে মূসক কেটে রাখলে তার প্রমাণ হিসেবে এই ফরম ইস্যু করে।
নিবন্ধিত কর্তনকারীকে দাখিলপত্র দাখিলের ৩ কার্যদিবসের মধ্যে ইস্যু করতে হয়। অনিবন্ধিত কর্তনকারীকে কোষাগারে মূসক জমার ৩ কার্যদিবসের মধ্যে ইস্যু করতে হয়।
তিন কপি করতে হয়। মূল কপি সংশ্লিষ্ট মূসক সার্কেলে জমা হয়, একটি অনুলিপি সরবরাহকারী পান, আরেকটি কর্তনকারী ৫ বছর সংরক্ষণ করে।
সরবরাহকারীকে মূল্য পরিশোধের ১৫ দিনের মধ্যে ই-চালান বা ই-পেমেন্টের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট অর্থনৈতিক কোডে জমা দিতে হবে।
সনদ ইস্যুর কর মেয়াদে অথবা এর পরবর্তী ৬টি কর মেয়াদের মধ্যে দাখিলপত্রে হ্রাসকারী সমন্বয় নিতে হবে। এরপর দাবি তামাদি হয়ে যায়।
শেষকথা
মূসক ৬.৬ ফরম পূরণ ও জমা নিয়ে ভয়ের কিছু নেই, যদি ধাপগুলো ঠিক ক্রমে মানা যায়। আগে মূসক ৬.৩ চালান, বিল ও পেমেন্ট ভাউচার মিলিয়ে নিন। তারপর ঘর ধরে ধরে ফরম পূরণ করুন। এরপর নিবন্ধিত না অনিবন্ধিত, সেই অনুযায়ী জমার পথ বেছে নিন। সময়সীমা মনে রাখলে এবং কপি সংরক্ষণ করলে ঝুঁকি অনেক কমে যায়। বিধিমালা বদলায়, তাই কাজের আগে সর্বশেষ প্রজ্ঞাপন দেখে নেবেন।
নির্দিষ্ট কোনো লেনদেনে উৎসে মূসক প্রযোজ্য কি না নিয়ে সন্দেহ থাকলে একজন মূসক পেশাজীবীর পরামর্শ নিন। লেখাটি কাজে লাগলে সহকর্মী বা ব্যবসায়ী বন্ধুর সঙ্গে শেয়ার করতে পারেন।